Domain Hosting

ডোমেইন ও হোস্টিং কি? কেন প্রয়োজন এবং কোথায় পাওয়া য়ায়?

আন্তর্জাতিক তথ্যপ্রযুক্তি বাণিজ্য
অনেকেই জানতে চান ডোমেইন এবং হোস্টিং কি ? যারা এধরনের প্রশ্ন করেন তাদের জন্য এই পোস্ট । এখানে তুলে ধরা হবে – ডোমেইন কি? হোস্টিং কি? এগুলো কি কাজে ব্যবহার হয় সেই সাথে কোথায় পাওয়া যায়।
১) ডোমেইন (Domain) কি ?

 

ওয়েরসাইট করতে হলে আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটের যেকোনো একটি নাম দিতে হবে। আর ওয়েবসাইটের সেই নামকেই বলা হলো ডোমেইন। যে নামের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট লোকজন খুজে পাবে মূলত সেটাই হলো ডোমেইন। যেমন আমরা ফেইসবুক কে খুজে পাই যেমন  www.facebook.com দিয়ে। এছাড়াও গুগল কে অমারা খুজেপাই www.google.com দিয়ে। যে নাম দিয়ে আপনার ওয়েবসাইট একজন ব্যক্তি ভিজিট করবে সেটাই হলো আপনার ওয়েব সাইটের ডোমেইন ।

 

ডোমেইন শুধুমাত্র .com দিয়েই হবে এমনটা নয়, বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইটে বিভিন্ন ধরনের ডোমেইন লোকজন ব্যবহার করে থাকে। ব্যবসা অথবা সাধারন ব্যবহারের জন্য সবাই .com ই ব্যবহার করে। তবে বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইটের জন্য লোকজন বিভিন্ন ধরনের ডোমেইন এক্সটেনশন ব্যবহার করে থাকে যেমন: অরগানাইজেশনের জন্য হলে .org, নেটওয়ার্কিং সাইটের জন্য হলে .net , ইনফরমেশন সাইটের জন্য হলে .info ইত্যাদিসহ আরও অনেক ধরনের ডোমেইন ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

 

উপরে উল্লেখিত ডোমেইনের কথা বলা হলো সেটা প্রিমিয়াম ডোমেইন। এগুলো আপনার ওয়েবসাইটে ব্যবহার করতে চাইলে আপনাকে টাকা দিয়ে কিনে নিতে হবে । সাধারনত এধরনের ডোমেইনের মূল্য প্রায় ৮০০-২০০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে প্রতি এক বছরের জন্য।
আরও পড়ুন- সেরা আর্টিকেল লেখার নিয়ম – লেখার সময় কোন কোন বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হয়!

 

২) হোস্টিং কি ?
অনেকেই ডোমেইন কি তা জেনে গেলেন তবে হোস্টিং কি তা জানেন না। আপনি একটি ডোমেইন কিনলেন তার মানে হচ্ছে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের একটি নাম কিনলেন শুধু। আপনার ওয়েবসাইট কে এমন একটা সার্ভারে তে রাখতে হবে যেটা দিনে ২৪ ঘন্টা সেই সাথে বছরে ৩৬৫ দিন অন থাকবে। সবসময় চালু থাকে এমন একটা সার্ভারে আপনার ওয়েবসাইট রাখার সুবিধা দিয়ে থাকে হোস্টিং কোম্পানী।

 

হোস্টিং কোম্পানীগুলো মাসিক অথবা বাৎসরিক টাকার বিনিময়ে এ সার্ভিসগুলো দিয়ে থাকে। বিভিন্ন কোম্পানী বিভিন্ন ধরনের মূল্যে হোস্টিং প্রদান করে। বাংলাদেশে আপনাকে হোস্টিং নিতে হলে বিভিন্ন কোম্পানীকে বিভিন্ন ধরনের মূল্য পরিশোধ করতে হবে। তাদের সার্ভার থেকে নির্দিষ্ট পরিমাণ জায়গা আপনাকে কিনে ব্যবহার করতে হবে।আর আপনার ওয়েবসাইটের জন্য যে জায়গাটা কিনবেন সেইট হলো হোস্টিং।আপনি চাইলে আপনার বাসার কম্পিউটারেও আপনার ওয়েবসাইট রাখতে পারেন তবে আপনার বাসার পিসি কি রাতদিন ২৪ ঘন্টা ৩৬৫ দিন চালু করে রাখতে পারবেন?
আরও পড়ুন- এডসেন্স (Adsense) থেকে যেভাবে অনলাইনে ডলার ইনকাম করবেন এবং পাবেন
আপনি আপনার কম্পিউটারে ওয়েবসাইট রাখলে আপনার কম্পিউটার   বন্ধ অথবা ইন্টারনেট সংযোগ না থকলে আপনার ভিজিটর গুলো আপনার ওয়েবসাইট দেখতে পারবে না।আপনি যে কম্পিউটারে আপনার ওয়েবসাইট হোস্ট করবেন সেটা সবসময় চালু থাকা বাধ্যতামূলক। আপনার সাইট হোস্ট করা কম্পিউটার চালু থাকলেই আপনার ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটটি দেখতে পাবেন।
আরও পড়ুন- অনলাইন থেকে আয় করার সেরা ৫ টি উপায়
বাংলাদেশের হোস্টিং কোম্পানি সহ বিশ্বের যে সকল হোস্টিং  কোম্পানী রয়েছে, তারা বিভন্ন ধরনের হোস্টিং বিক্রি করে যেমন: শেয়ারড হোস্টিং (Shared Hosting), ভিপিএস(VPS), ডেডিকেটেড সার্ভার(Dedicated Server) ইত্যাদি। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী আপনাকে হোস্টিং স্পেস কিনে নিতে হবে।

 

যারা জানেন না তারা অনেকেই মনে করে থাকেন ডোমেইন হোস্টিং মনে হয় একই জিনিস । অথবা একটা কিনলেই হয়তো ২ টাই পাওয়া য়ায়। না মুলত ডোমেইন এক জিনিস আর হোস্টিং সম্পূর্ণ আরেক জিনিস। ২ টাই আপনাকে কিনতে হবে অলাদা আলাদা টাকা পেমেন্ট করে। তবে সাধারনত যারা হোস্টিং বিক্রি করে তারা ডোমেইনও সাথে বিক্রি করে। আপনি চাইলে একই প্রভাইডারের কাছ থেকেই ২ টাই কিনতে পারেন। আবার চাইলে আলাদা কোম্পানীর কাছ থেকেও কিনতে পারবেন। তবে আমি বলবো আপনি ডোমেইন এবং হোস্টিং সবসময় একই কোম্পানির কাছ থেকে কিনে নিন তাতে করে আপনার মেইনটেনেন্সে অনেক সুবিধা হবে।
আপনি টেক প্যানাসিয়া (Tech Panacea)  থেকে ডোমেইন এবং হোস্টিং ক্রয় করতে পারবেন । তারা বাংলাদেশের ডোমেইন হোস্টিং প্রভাইডার। তারা বাংলাদেশে সার্ভিস প্রোভাইড করে এবং বাংলাদেশের বাইরের দেশেও হোস্টিং প্রোভাইড করে। তাদের হোস্টিং সার্ভার হলো USA, Germany, Finland, Singapore । তাই তাদের সার্ভির খারাপ হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published.